| |

Ad

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বোরো ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু

আপডেটঃ ৩:৪৮ অপরাহ্ণ | মে ১৯, ২০১৯


মোঃ আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধিঃ


শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু করা হয়েছে। উপজেলা খাদ্য গুদাম চত্বরে ওই চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্ধোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদ। ঝিনাইগাতী উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র দেবনাথ, কারিগরী খাদ্য পরিদর্শক আব্দুর রশিদ, উপজেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রন অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো মৌসুমে ৩৬ টাকা কেজি দরে মোট ২ হাজার ৪৯১ মেট্রিক টন চাল এবং ২৬ টাকা কেজি দরে ৪৩৩ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় ৫৬ চালকল মালিকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। চাল সংগ্রহ অভিযানের উদ্ধোধনী দিনে ৩৫ মেট্রিক টন চাল ক্রয় করা হয়েছে। মিল মালিকদের কাছ থেকে প্রথম পর্যায়ে ভাল মানের চাল সংগ্রহ করলেও পরবর্তীতে উৎকোচের বিনিময়ে নি¤œমানের চালও নেয়া হয় বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। অভিযোগে প্রকাশ, চুক্তিবদ্ধ ৫৬টি মিলের মধ্যে অধিকাংশ মিল কাগজে-কলমে সঠিক থাকলেও বাস্তবে নেই কোন কার্যক্রম। নামকাওয়াস্তে শুধুমাত্র গুদামে চাল দেওয়ার জন্যই কাগজে-কলমে সব ঠিকঠাক রেখে দীর্ঘদিন থেকে এ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এতে প্রকৃত মিল মালিকরা বঞ্চিত হচ্ছে।

সরকার যদি এভাবে নামকাওয়াস্তে মিল মালিকদের কাছ থেকে চাল ক্রয় না করে প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে ভাল মানের ধান ক্রয় করলে একদিকে যেমন কৃষকরা লাভবান হতো তেমনি সরকারের খাদ্য ক্রয়ের চাহিদা পূর্ণ হত। আর এসমস্ত ধান পরবর্তীতে মিল মালিকদের কাছ থেকে ধান থেকে চাল তৈরী করে নিতে পারতো। এতে মিল মালিকরাও লাভবান হতো। উল্লেখ্য, প্রকৃত ৫৬টি মিল মালিকের মিলগুলো কতটা বাস্তবে কার্যকর রয়েছে তা তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে আসল রহস্য। অকার্যকর মিল মালিকেরা কিভাবে সরকারের সাথে চুক্তি করে।

তাছাড়া বেশ কিছু মিল রয়েছে যেগুলি পুরো বছরের মধ্যে কোন দিন আগুন জ্বালানো হয় না। অথচ এই সমস্ত মিল মালিকের সঙ্গে চাল সংগ্রহের চুক্তিবদ্ধ হয়েছে কর্তৃপক্ষ। খাদ্য গুদাম কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক ভাবে এসমস্ত কার্যক্রম হচ্ছে বলে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাহলে শুধুমাত্র মিল থাকলেই খাদ্য গুদামে চাল দেয়া যায় মিলের কার্যক্রম সচল থাকার কোন প্রয়োজন নেই।