| |

Ad

শেরপুর সীমান্তের দরিদ্র কৃষকরা লেচু চাষ করে স্বাবলম্বী

আপডেটঃ ১২:০৬ অপরাহ্ণ | মে ২৫, ২০১৯


মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি:

শেরপুর সীমান্তের অনাবাদী পাহাড়ী পতিত জমিতে আম ও লেচুর বাগান করে বহু পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে। এবছর অত্রাঞ্চলে লেচুর বাম্পার ফলন হয়েছে। লেচুর দাম ভাল থাকায় কৃষকরা বেজায় খুশি। বিগত সময়ে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অত্রাঞ্চলে লেচু আমদানী করা হতো। কারণ অত্রাঞ্চলে কোন লেচুর চাষাবাদ করা হতো না। কিন্তু বর্তমানে অত্রাঞ্চলের লেচু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, বছরের পর বছর পানির অভাবে অনাবাদী পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা জমিগুলিতে এখন আম ও লেচুর বাগান করে লাভবান সীমান্তের কৃষক পরিবার। একই সাথে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হবে।

এই সমস্ত ফল-ফলাদি এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের অভ্যান্তরে পাঠানো হচ্ছে। আর বেকার কৃষকদের অনাবাদী জমিগুলিতে এই সমস্ত ফসল উৎপাদন করে কর্মসংস্থানের পথ উন্মোচিত হচ্ছে। ফলের দেশ রাজশাহীর মতো শেরপুর সীমান্তের পাহাড়ী অঞ্চলগুলি এখন বানিজ্যিক ফলের অঞ্চলে রূপান্তরিত হয়েছে। লেচুর মধ্যে- চায়না-থ্রি, বোম্বে, সিংগাপুরী, বারী-১, বারী-২, বারী-৩সহ দেশীয় প্রজাতির লেচু চাষাবাদ করা হয়। তবে আম-রূপালী ও লেচু চায়না-থ্রি অনেক সুস্বাদু হওয়ায় অত্রাঞ্চলে ও দেশের অভ্যান্তরে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই দিন দিন অত্র এলাকার কৃষকরা মৌসুমীয় ফল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছে। অল্প জমিতে অধিক উৎপাদনের লাভবান হচ্ছে সীমান্তের কৃষক পরিবার।

এ ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, লেচু চাষ অল্প ব্যয়, অধিক আয়। এছাড়া আম-কাঠাল, লেচু-পেয়ারা, পেঁেপসহ নানা জাতের অর্থকরি ফসল চাষাবাদ করছে সীমান্তের কৃষকরা। এতে কৃষকরা অনেক লাভবান হচ্ছে। আর এই সমস্ত কৃষকদের নানা বিষয়ে পরামর্শ প্রদানে আমাদের কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা সার্বক্ষনিক কাজ করাতে সহজেই কৃষকের সমস্যাগুলির সমাধান করতে পারছে।