| |

Ad

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন; প্রশাসন নিরব

আপডেটঃ ১২:১৪ অপরাহ্ণ | মে ২৫, ২০১৯

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি:

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন। এই সমস্ত বালু প্রশাসনের নাকের ঢগা দিয়ে পাঁচার হচ্ছে কিন্তু প্রশাসন নিরব। সচেতন মহলের প্রশ্ন? কিভাবে দিবা-নিশি অবৈধ বালু ট্রলি-ট্রাকে পাঁচার হচ্ছে। জানা যায়, বৈধ কাগজের দোহায় দিয়ে দীর্ঘদিন থেকে পাহারের বিভিন্ন নদী-নালা ও ঝুড়া থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করে প্রতিদিন শত শত ট্রলি-ট্রাক দিয়ে বালু পাঁচার করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, তাও আবার অবৈধ বালু পাঁচার হচ্ছে ফিটনেস বিহীন পরিবহন ট্রলি দিয়ে। এতসব অনিয়ম প্রশাসনের চোঁখে পরছে না কেন তা জানতে চায় এলাকাবাসী।

অপরদিকে যদি সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী এসমস্ত বালু উত্তোলন করা হতো সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হত। কিন্তু সঠিক কোন নীতিমালা সুনিশ্চিত না করতে পারায় প্রশাসনিক ভাবে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। বালু মহলগুলি কোন মন্ত্রণালয়ের আওতায় এই জটিলতায় প্রশাসনিক ভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে দিধাবিভক্তির কারণে দীর্ঘদিন থেকে সরকারী ভাবে বালু উত্তোলণ বন্ধ। কিন্তু প্রয়োজন আইন মানেনা এমনটি যেন এখানে কাজ করছে। প্রতিদিন শত শত শ্রমিক বালু উত্তোলনের কাজে নিয়োজিত হয়। আর প্রতিদিন এই সমস্ত উত্তোলিত বালু অবৈধ ভাবে পাঁচার হয়ে যাচ্ছে। প্রকাশ থাকে যে, অত্র উপজেলার একটি মাত্র নদী কর্ণঝোড়া সরকারী ভাবে ইজারা প্রদান করে এক বছরে কোটি টাকা উর্ধ্বে রাজস্ব পেয়েছে।

সেই হিসাবে অত্র উপজেলার ৪টি নদী ও অনেকগুলি ঝুড়া রয়েছে। এই সমস্ত নদী ও ঝুড়াগুলি বার্ষিক ইজারা প্রদান করা হলে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় হতো। কিন্তু সরকারী ভাবে ইজারা না দেয়ার কারণে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা দরিদ্র শ্রমিকদের মাধ্যমে প্রভাব খাটিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন শত শত ট্রলি দিয়ে অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে বালু উত্তোলন করে পাঁচার করছে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে তেমনি সরকারও হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব। যদি সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী সরকারী রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করা হলে একদিকে সরকারের রাজস্ব আয় হবে অপরদিকে বেকার শ্রমিকদেরও কর্মসংস্থানের পথ উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি পরিকল্পিত ভাবে বালু উত্তোলন করা হয় তাহলে নদী-নালা গুলির পূনরায় নাব্যতা ফিরে পাবে।