| |

Ad

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ঈদকে সামনে রেখে মাদক সিন্ডিকেট সক্রিয়; পুলিশ তৎপর

আপডেটঃ ২:১১ অপরাহ্ণ | মে ২৬, ২০১৯

মোঃ আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি:

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ঈদকে সামনে রেখে মাদক সিন্ডিকেটরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। অভিনব কৌশল অবলম্বন মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে মাদক কারবারীরা। অত্র শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী ৩টি উপজেলা ভারত সীমান্ত ঘেষা। উক্ত সীমান্তের বিস্তৃর্ণ পাহাড়ী দূর্গম এলাকা। এই সমস্ত দূর্গম এলাকা দিয়ে ভারত থেকে বিভিন্ন জাতের মাদক আমদানী করে থাকে এই সমস্ত মাদক সিন্ডিকেটেরা। ভারত থেকে আমদানী করে স্থানীয় ভাবে কিছু নির্দিষ্ট পয়েন্টে মাদক সিন্ডিকেটের লোকজন বিভিন্ন কৌশলে মাদক বিক্রি করে থাকে। ভারত থেকে যে সমস্ত মাদক দ্রব্য আমদানী হয়ে থাকে, হেরোইন, ইয়াবা, গাঁজা, ভাং ফেন্সিডিলসহ আরও বিভিন্ন জাতের মরণ নেশা মাদক।

মাদক সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীরা নানা কৌশলে দেশের অভ্যান্তরেও পাঁচার করে থাকে। আর এই সমস্ত মাদক উঠতি বয়সের কিশোর-কিশোরী, স্কুল-কলেজ পড়–য়া ছাত্র/ছাত্রীসহ যুব সমাজের ছেলে-মেয়েরা এই সমস্ত মরণ নেশায় জড়িয়ে পড়ছে। উল্লেখ্য, মাদকের কারণে কোমলমতি ছেলে-মেয়েরা নেশার টাকা যোগার করতে না পেরে নানা ধরণের অপরাধ মূলক কাজে লিপ্ত হচ্ছে। আর দিন দিন তা বেড়েই চলেছে। প্রকাশ থাকে যে, গত ২দিন পূর্বে মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম রোকন (৩৭), পিং মৃত-আব্দুর রাজ্জাক, সাং-ঝিনাইগাতী, ফকির মিয়া (৩০), পিং-আব্দুর সাত্তার, সাং-রাংটিয়াকে গাঁজাগাছ ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিস, শেরপুর।

এসময় রোকনের কাছ থেকে ৫পিছ ইয়াবা এবং ফকির মিয়া হেফাজতে থাকা রোপনকৃত ৩টি গাঁজাগাছসহ তাদেরকে রাংটিয়া থেকে গ্রেফতার করেন। এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী থানায় মাদকদ্রব্য আইনে পৃথক ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উক্ত অভিযান পরিচালনা করেন মোহাম্মদ মশিউর রহমান সোহেল সহকারী উপ পরিচালক ও মাকসুদুর রহমান পরিদর্শক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ শেরপুর।

শেরপুরের সীমান্তবর্তী প্রায় ৬০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে ভারত-বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা। গহীন জঙ্গল ও নির্জন রাস্তা হওয়ায় মাদক সিন্ডিকেটরা তাদের মাদক আমদানী করার নিরাপদ রাস্তা হিসাবে বেছে নিয়েছে। তাই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের করা নজরদারী ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া অত্যান্ত জরুরী বলে বিজ্ঞ মহল মনে করেন।