| |

Ad

নেত্রকোনার মদনে কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজে অনিয়ম শ্রমের মূল্য আত্মসাৎের অভিযোগ

আপডেটঃ ১:৫৬ অপরাহ্ণ | মে ২৭, ২০১৯

আব্দুর রহমান, নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

নেত্রকোনার মদন উপজেলার গোবিন্দ্রশ্রী ইউনিয়নে কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজে উঠেছে অনিয়মের অভিযোগ। কাজ দেয়ার নামে শ্রমিকদের নিকট থেকে নেয়া হয়েছে উৎকোচ। প্রকল্পে ১০০ দিনের কর্মসূচীতে অতিদ্ররিদ্র স্থানীয় লোকজনকে দিয়ে কাজ করানোর কথা থাকলেও বেশিরভাগ স্থানে মাটি কাটা হয়েছে এস্কেভেটর দিয়ে। অপরদিকে হতদরিদ্রদের নিকট থেকে কাজ দেয়ার কথা বলে স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্য উৎকোচ নিয়েও কাজ দেয়নি বলে অভিযোগ ভূক্তভোগিদের। প্রকল্পে কর্মরত শ্রমিকদের দৈনিক ২০০ টাকা হারে ভাতাও আত্মসাৎ করারও অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে লিখিত অভিযোগ করলেও উল্টো চঁাদাবাজি মামলার হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এদিকে শ্রমিকরা অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়ে সাংবাদিক দেখে নিজ গ্রামেই করেছেন মানববন্ধন। হতদরিদ্রদের এই কর্মসৃজন প্রকল্পের অনিয়মের সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবী করেছেন এলাকাবাসী।কদমশ্রী গ্রামের শাহানা, রজ্জতুচ্ছেনা, শাহীনুর আক্তার, কল্পনা সহ কয়েকজন মহিলা শ্রমিকের সাথে আলাপকালে বলেন, আমরা ১ হাজার করে টাকা দিয়েছি মাটি কাটার কাজে নাম তোলার জন্য এবং এ কাজে আমাদেরকে দৈনিক ২০০ টাকা করে মুজুরি দিবে। বেশ কিছু দিন মাটি কাটার পর ৯ হাজার টাকা বিল হয়েছে। পরে টাকা তোলে ৪ হাজার টাকা কেটে রেখে ৫ হাজার টাকা করে আামাদেরকে দিয়েছে মেম্বার মালা। পরে আমাদের দিয়ে মাটি না কাটিয়ে ভ্যাকু মেশিন দিয়ে মাটি কাটিয়েছে এবং তা নিজের পছন্দের লোক দেখিয়ে মাটি কাটার কাজের টাকা নিয়ে গেছে এবং চেয়ারম্যানকে জানানো পরেও কোন প্রতিকার পাননি বলে জানান তারা।সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য লতিফা আক্তার মালার কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উৎকোচ গ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, যে সকল শ্রমিক এলাকায় ছিল না তাদের নাম পরিবর্তন হয়েছে। ভ্যাকু দিয়ে মাটি কাটানোর পর ভ্যাকুর টাকা দেয়ার পর এলাকায় যারা ছিল তাদের টাকা দেয়া হয়েছে।গোবিন্দ্রশ্রী ইউপি’র চেয়ারম্যান এ. কে. এম. নুরুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযাগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।মদন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়ালীউল হাসান বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং পিআইওকে তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্তের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান প্রশাসনের এই কর্মকতার্।এদিকে উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) সাথে গতকাল শনিবার দুপুরে মুঠোফোনে তদন্তের বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, এক সপ্তাহ হয়েছে তিনি অভিযোগটি পেয়েছেন কাজের ব্যস্ততার কারণে এখনও তদন্ত শুরু করতে পারেননি। প্রকল্পে ভ্যাকু দিয়ে মাটি কাটা ও শ্রমিকদের ৯ হাজার টাকা মাটি কাটা বিলের পরিবর্তে ৫ হাজার টাকা পরিশোধ এ প্রশ্নের বিপরীতে বলেন এগুলো অনিয়ম এবং তদন্তের পরে ব্যবস্থা গৃহীত হবে বলে তিনি জানান।