| |

Ad

বছরের শুরুতেই লেনদেন কমেছে পুঁজিবাজারে

আপডেটঃ ৭:২০ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ০১, ২০২০

দর পতন ও লেনদেন মন্দায় ২০১৯ সালটি ভাল যায়নি পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীদের। তাই নতুন বছরের ভাল কিছুর প্রত্যাশায় ছিল বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু নতুন বছরের প্রথম কার্যদিবসেই পুঁজিবাজারের লেনদেন কমেছে।

বুধবার নতুব বছরের শুরুতে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন কমেছে ২২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।  যদিও দিনশেষে ডিএসইর ২২১টি কোম্পানি ও ফান্ডের দর বেড়েছে।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ কমেছে। ৩০ ডিসেম্বর সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। কিন্তু নতুন বছরের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছে ৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ লেনদেন কমেছে ৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২২১টি, দর কমেছে ৮৬টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ৪৬টি প্রতিষ্ঠানের। দিনশেষে ডিএসইতে ১০ কোটি ৬৯ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এদিন ডিএসইতে টাকার অংকে লেনদেন হয়েছে ২৯৬ কোটি ৩০ টাকা। এর আগের কার্যদিবসে অর্থাৎ ৩০ ডিসেম্বর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছিল ৩১৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

লেনদেন শেষে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক বেড়েছে ০.৩৫ পয়েন্ট। এসময় ডিএসইএক্স সূচক ৪৪৫৩.২৯ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। অপরদিকে, ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ৩.৮২ পয়েন্ট ও ডিএস-৩০ সূচক কমেছে ১১.৫৫ পয়েন্ট।

দিনশেষে ডিএসইতে টার্নওভার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে খুলনা পাওয়ার। দিনশেষে কোম্পানিটির ১৭ কোটি ৪৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। টার্নওভার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ, কোম্পানিটির ৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ৮ কোটি ১৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভার তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে স্টান্ডার্ড সিরামিক।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো- বিকন ফার্মা, স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স, জেনেক্স ইনফোসিস, সিটি ব্যাংক, ওয়াটা কেমিক্যাল, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপ ইয়ার্ড ও ইউনাইটেড পাওয়ার।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হওয়া ২২৮টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৯টির, দর কমেছে ৬৫টির ও দর অপরিবর্তিত ছিল ২৪টি প্রতিষ্ঠানের। এসময় সিএসইতে ৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

দিনশেষে সিএসই’র সাধারণ মূল্য সূচক আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৭.২৩ পয়েন্ট বেড়ে ৮ হাজার ১৯৫ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে।