| |

Ad

দেশের আনাচে কানাচে বিপিএল উন্মাদনা

আপডেটঃ ৫:১২ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০১৯

খেলাধুলা সংবাদ : শুরুটা ম্যাড়ম্যাড়ে হলেও ধীরে ধীরে মাঠে আলো ছড়িয়েছে এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। দেশের আনাচে কানাচে বিপিএল উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে। এবারের আসরটি আলাদা করে নজর কেড়েছে প্রযুক্তির ব্যবহারে। যা নিয়ে দর্শক সমর্থকরা ভীষণ উচ্ছ্বসিত।

চলতি বছরের বিপিএল আসরে প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন বিভিন্ন গ্যাজেটের সাহায্যে সম্প্রচারও হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের। মাঠের বাইরে এবং ভেতরে দর্শকদের অনিন্দ্য অভিজ্ঞতার সুযোগ করে দিচ্ছে বিপিএল। নতুন সব প্রযুক্তি আর ড্রোনের ব্যবহার এ আসরের আমেজ যেন আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এসবের সঙ্গে মাঠে দর্শকদের ভীড় একসূত্রে গেঁথে টুর্নামেন্টটিকে যেন পরিণত করেছে উৎসবে।

অত্যাধুনিক স্ট্যাম্পের ব্যবহার, স্পাইডার ক্যাম ও ড্রোনের কারণে বৈশ্বিক রূপ পেয়েছে এবারের বিপিএল। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে লাখো দর্শক স্টেডিয়ামে উপস্থিত না থেকেও প্রাণবন্ত সম্প্রচারে খেলা উপভোগ করতে পারছেন। অনেক ক্যামেরা ব্যবহারের কারণে ভেন্যুর চারদিকের আবহ টেলিভিশনের পর্দায় ভালোভাবে দেখতে পারছেন দর্শকরা।

প্রথমবারের মতো এ আসরে ড্রোন ক্যামেরা ও স্পাইডার ক্যাম ব্যবহার হচ্ছে। মাঠে ব্যবহার হচ্ছে অাম্পায়ার ক্যামেরা। পাশাপাশি প্রথমবারের মতো জিং বেইলস টেকেনোলজি ব্যবহারের সুবাদে তাৎক্ষণিক স্ট্যাম্প হিটের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এর সাহায্যে স্ট্যাম্পে বল আঘাত হানার সাথেই ইনস্টল করা লাইটগুলো জ্বলে ওঠে। ফলে দর্শকরাও তাৎক্ষণিক ফল পেয়ে উল্লাসে মেতে উঠছেন।

বিপিএলে প্রযুুক্তির এমন ব্যবহার নিয়ে উচ্ছ্বসিত দর্শক ভক্তরা। ঢাকার বাসিন্দা ইমান-উল-হক নামের এক দর্শক বলেন, ‘আমার কাছে জিং বেইলস এর ধারণাটি ভালো লেগেছে। কেননা এতে দর্শকরা তাৎক্ষণিক উইকেটের ফলাফল পাচ্ছেন। এর সাহায্যে খেলোয়াড়দের সঙ্গেও এক ধরনের যোগসূত্রতা তৈরি হচ্ছে। যখনি স্ট্যাম্পে আলো জ্বলে, তখনি ব্যাপক উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। হাজার হাজার মানুষের এমন উচ্ছ্বাস অভিভূত করে।’

এদিকে সম্প্রচারকারীরা টিভি আম্পায়ারদের সুবিধার জন্য ডিসিশন রিভিউ সিস্টেমের সময় আল্ট্রা- মোশন ক্যামেরা ব্যবহার করছেন। সবমিলিয়ে বিপিএলের এবারের আসর আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে সম্প্রচার করছে।

মিরপুরের বাসিন্দা মোহাম্মদ উসমান এ সম্পর্কে বলেন, ‘এবারের বিপিএল আসরটি অবশ্যই অন্যগুলোর তুলনায় পরিসরেও বেশ বড় এবং খুবই ভালো। আমরা এখন গর্ব করে বলতে পারি, আমরাও আন্তর্জাতিক মানের টুর্নামেন্ট আয়োজন করি।’

চট্টগ্রামের বাসিন্দা সোহেল আহমেদ বলেন, ‘আমি স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে যেতে পারিনি। কিন্তু টেলিভিশনে প্রত্যেকটি ম্যাচ দেখেছি। এবারের আসরে খুবই ভালো সম্প্রচার করা হয়েছে।’