| |

Ad

ঝিনাইগাতীতে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন ও পাঁচার মহোৎসব

আপডেটঃ ৮:১০ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৯

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি:

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার পাহাড়ী অঞ্চলের বিভিন্ন নদী-নালা ও ঝুড়া থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করে প্রতিদিন শত শত অবৈধ ট্রলি দিয়ে বালু পাঁচার হচ্ছে। সকাল থেকে রাতের ১২ টা পর্যন্ত এই সমস্ত অবৈধ ট্রলিগুলি দিয়ে অবৈধ ভাবে সরকারী নীতিমালা তোয়াক্কা না করে প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রনে এই সমস্ত বালু পাঁচার হচ্ছে। আর যদি সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী এসমস্ত বালু উত্তোলন করা হলে সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আদায় হত। কিন্তু সঠিক কোন নীতিমালা সুনিশ্চিত না করতে পারায় প্রশাসনিক ভাবে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। বালু মহলগুলি কোন মন্ত্রণালয়ের আওতায় এই জটিলতায় প্রশাসনিক ভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে দিধাবিভক্তির কারণে দীর্ঘদিন থেকে সরকারী ভাবে বালু উত্তোলণ বন্ধ। কিন্তু প্রয়োজন আইন মানেনা এমনটি যেন এখানে কাজ করছে। প্রতিদিন শত শত শ্রমিক বালু উত্তোলনের কাজে নিয়োজিত হয়। আর প্রতিদিন এই সমস্ত উত্তোলিত বালু অবৈধ ভাবে পাঁচার হয়ে যাচ্ছে। প্রকাশ থাকে যে, অত্র উপজেলার একটি মাত্র নদী কর্ণঝোড়া সরকারী ভাবে ইজারা প্রদান করে এক বছরে কোটি টাকা উর্ধ্বে রাজস্ব পেয়েছে। সেই হিসাবে অত্র উপজেলার ৪টি নদী ও অনেকগুলি ঝুড়া রহিয়াছে। এই সমস্ত নদী ও ঝুড়াগুলি বার্ষিক ইজারা প্রদান করা হলে সরকারের কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় হতো। কিন্তু সরকারী ভাবে ইজারা না দেয়ার কারণে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা দরিদ্র শ্রমিকদের মাধ্যমে প্রভাব খাটিয়ে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন শত শত ট্রলি দিয়ে অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে বালু উত্তোলন করে পাঁচার করছে। এতে একদিকে যেমন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে তেমনি সরকারও হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব। যদি সরকারী নীতিমালা অনুযায়ী সরকারী রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করা হলে একদিকে সরকারের রাজস্ব আয় হবে অপরদিকে বেকার শ্রমিকদেরও কর্মসংস্থানের পথ উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি পরিকল্পিত ভাবে বালু উত্তোলন করা হয় তাহলে নদী-নালা গুলির পূনরায় নাব্যতা ফিরে পাবে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু তারপরও অবৈধ ভাবে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে বালু পাচাঁরের কথা স্বীকার করেন।
অভিযোগে প্রকাশ, প্রশাসনের নাকের ডগার উপর দিয়ে অবৈধ ভাবে উত্তোলনকৃত বালু অনুমোদন বিহীন ট্রলি দিয়ে প্রকাশ্যে কিভাবে পাঁচার হয় তাই জনমনে প্রশ্ন?। তাহালে এই সমস্ত নিয়ন্ত্রন করার কি কেউ নেই।