| |

Ad

শেরপুরে ব্যাপক আকারে বোরো ধানের চাষাবাদ

আপডেটঃ ৯:২৬ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৯

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি:
শেরপুর জেলায় বিগত বছরগুলির তুলনায় এবছর ব্যাপক আকারে বোরো ধানের চাষাবাদ করেছে অত্রাঞ্চলের কৃষকরা। এবছর আবহাওয়া অনূকুল থাকায় সিংহ ভাগ জমিতে কৃষকরা বোরো চাষাবাদ করেছে। যা এবছর বোরো চাষাদের লক্ষমাত্রার চেয়ে অনেক বেশী। যদি আবহাওয়া শেষ পর্যন্ত অনূকুলে থাকে তাহলে বিগত বছরের তুলনায় অধিক পরিমাণে বোরো ধান উৎপাদন হবে। উল্লেখ্য, উক্ত শেরপুর জেলাসদরসহ ৫টি উপজেলা রয়েছে। উক্ত ৫টি উপজেলায়তেই ব্যাপক ভাবে কৃষকেরা বোরো চাষাবাদ করেছে। অত্র শেরপুর জেলার অধিকাংশ লোকই কৃষক ও প্রান্তিক চাষী। এসমস্ত প্রান্তিক চাষীদের আয়ের প্রধান উৎস হলো কৃষি ফসল। উৎপাদিত ধান চাষ করে নিজ নিজ চাহিদা মিটিয়ে দেশের খাদ্য চাহিদায় যোগান্তকারী ভূমিকা রেখে আসছে অত্র শেরপুর জেলা। এতে যেমন দেশের খাদ্য উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে অপরদিকে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। প্রকাশ থাকে যে, ইতিপূর্বে বাংলাদেশে ৬ঋতু বিরাজমান ছিল। কিন্তু এখন আর দেশে ষড় ঋতুর দেখা মিলছে না। ঘুরে ফিরে শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা এই ৩ ঋতুর দেখা মিলছে। ঋতুর এই পরিবর্তনের কারণে দেশে বৈরী আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব পড়েছে। মাঘ মাসের শেষের দিকে বৃষ্টির কারণে বোরো ফসলের জন্য অনেকটাই সুফল বয়ে এনেছে। যে কারণে এবছর ব্যাপক আকারে বোরো ধানের চাষাবাদ হয়েছে। তাই কৃষকের মনে অনেকটা খুশির ভাব। তেমনি দেশের খাদ্য উৎপাদনে যোগান্তকারী ভূমিকায় সহায়ক হবে। চলতি বোরো মৌসুমে ৫টি উপজেলায় প্রায় ১ লক্ষ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ হয়েছে। শেরপুর সদর উপজেলায়-প্রায় ২৩ হাজার হেক্টর, নকল উপজেলায় প্রায় ১১ হাজার হেক্টর, শ্রীবরদী উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার হেক্টর, ঝিনাইগাতী উপজেলায় প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় প্রায় ২৭ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। তবে কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী উক্ত চাষাবাদের হিসাব ব্যতিক্রম হতে পারে।

এ ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, এ বছর চলতি বোরো ফসলের ব্যাপক চাষাবাদ হয়েছে। অত্রাঞ্চলের কৃষকেরা অত্যান্ত মনোযোগের সহিত বোরো চাষে মনোযোগী হয়ে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিবিড় ভাবে পরিচর্যা করছে। বর্তমানে আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় বোরো ফসলের জন্য উৎপাদনে অত্যান্ত ভাল অবস্থা রয়েছে। যদি প্রাকৃতিক দূর্যোগ কিংবা বৈরী আবহাওয়া দেখা না দেয় তাহলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী ফলন আশা করা যায়। এছাড়া কৃষি বিভাগের লোকজন কৃষকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে সু-পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।