| |

Ad

সীমান্ত অঞ্চলে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের উজ্জল সম্ভাবনা

আপডেটঃ ৫:৩৮ অপরাহ্ণ | মার্চ ০৩, ২০১৯

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি:
শেরপুর জেলার ৫টি উপজেলায় এবার ব্যাপক ভাবে বোরো চাষাবাদ করেছে। চলতি বোরো ফসল রোপনের সময় প্রচন্ড শীত ও ঘণ কুয়াশাকে উপেক্ষা করে ব্যাপক ভাবে চাষাবাদের মনোযোগী হয় অত্রাঞ্চলের কৃষকরা। শীত কমে যাওয়ায় ক’দিনের ব্যবধানে ক্ষেতের রোয়া গুলো দ্রুতই বেড়ে উঠছে। সময় মতো সার বীজ এবং সেচ সরবরাহে বদলে যাচ্ছে ক্ষেতের দৃশ্যপট। দিগন্ত মাঠে এখন সবুজের সমরোহ। কৃষকদের মতে আবহাওয়া অনূকুলে থাকলে বর্তমানে যে সমস্ত বোরো ফসল চাষাবাদ করা হয়েছে বাম্পার ফলন ও লক্ষমাত্রা অর্জনের উজ্জল সম্ভাবনা রয়েছে। যদি আবহাওয়া শেষ পর্যন্ত অনূকুলে থাকে এবং প্রাকৃতিক কোন দূর্যোগের মুখে উক্ত ফসল ক্ষতিগ্রস্থ্য না হয় তাহলে লক্ষমাত্রার চেয়েও অধিক উৎপাদন হবে এমন ধারণা অনেক কৃষিবীদদের। চলতি বোরো মৌসুমে ৫টি উপজেলায় প্রায় ১ লক্ষ হেক্টর জমিতে বোরো চাষাবাদ হয়েছে। শেরপুর সদর উপজেলায়-প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর, নকল উপজেলায় প্রায় ১৩ হাজার হেক্টর, শ্রীবরদী উপজেলায় প্রায় ২৩ হাজার হেক্টর, ঝিনাইগাতী উপজেলায় প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর ও নালিতাবাড়ী উপজেলায় প্রায় ২৭ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। তবে কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী উক্ত চাষাবাদের হিসাব ব্যতিক্রম হতে পারে।

এ ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, এ বছর চলতি বোরো ফসলের বাম্পার ফলনের আশা করা যায়। অত্রাঞ্চলের কৃষকেরা অত্যান্ত মনোযোগের সহিত বোরো চাষে মনোযোগী হয়ে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিবিড় ভাবে পরিচর্যা করছে। বর্তমানে আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় বোরো ফসলের জন্য উৎপাদনে অত্যান্ত ভাল অবস্থা রয়েছে। যদি প্রাকৃতিক দূর্যোগ কিংবা বৈরী আবহাওয়া দেখা না দেয় তাহলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী আশা করা যায়। এছাড়া কৃষি বিভাগের লোকজন কৃষকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে সু-পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।