| |

Ad

পেসারদের নিয়ে ধৈর্য্য ধরার আহ্বান

আপডেটঃ ৯:৩৪ অপরাহ্ণ | মার্চ ০৪, ২০১৯

খেলাধুলা সংবাদ : নতুন চেহারার পেস আক্রমণ আর স্কোরবোর্ডে প্রতিপক্ষের বড় সংগ্রহ। বিগত তিন বছরে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের চেহারাটা এমনই দাঁড়িয়েছে। বিশেষত যখন তারা খেলতে গেছে উপমহাদেশের বাইরে।

২০১৬ সালের মার্চ থেকে বাংলাদেশ খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডে। সব জায়গাতেই প্রতিপক্ষের স্কোরবোর্ডে দেখা গেছে ৪০০-র বেশি রান। আর এবার নিউজিল্যান্ড তো তাদের ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সংগ্রহ করেছিল ৭০০-র বেশি রান।

২০১৭ সালে নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে খারাপ সময় কাটিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদ, কামরুল ইসলাম ও শুভাশিস রায়। এরপর রুবেল হোসেন ও মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা গিয়েও খুব বেশি উন্নতি দেখা যায়নি। ২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়ে মোটামুটি ভালো নৈপুন্যই দেখিয়েছিলেন আবু জায়েদ। কিন্তু সতীর্থদের কাছ থেকে সহায়তা পাননি।

গত রোববার নিউজিল্যান্ড সফরের প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ইনিংস ব্যবধানে হারের মুখ দেখেছে মুলত নখদন্তহীন বোলিংয়ের কারণে। শুরুতে ব্যাটিং করে স্কোরবোর্ডে ৭১৫ রান জমা করে ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। তিন পেসার আবু জায়েদ, এবাদত হোসেন ও খালেদ আহমেদ মিলে ৮৭ ওভার বোলিং করে দিয়েছেন ৩৬৯ রান। একটি উইকেট পেয়েছেন শুধু এবাদত হোসেন।

তবে এতকিছুর পরেও ফাস্ট বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ তরুণ বোলারদের পক্ষ নিচ্ছেন। একসঙ্গে আরও ম্যাচ খেলার সুযোগ পেলে আগামীতে তারা আরও উন্নতি করতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক এই ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি। ওয়ালশ বলেছেন, ’আমি তাদেরকে আরও কিছু টেস্ট ম্যাচ একসঙ্গে খেলতে দেখতে চাই। পাঁচ অথবা দশটি ম্যাচ। আলাদা আলাদাভাবে না। একটা গ্রুপ হিসেবে। কিন্তু কিছু সময় স্কোয়াড বদল করেও খেলানো হবে। কিছু ম্যাচ একসঙ্গে খেললে তারা একটা ভালোলাগার অনুভূতি পাবে। একটা বোঝাপড়া তৈরি হবে যে কী হচ্ছে। বিশেষত বিদেশে গিয়ে খেলার সময়। বাংলাদেশে তাদের কেউই না খেলতে পারে বা একজন খেলতে পারে। কিন্তু বিদেশে গিয়ে খেলার সময় তাদেরকে খেলতে হবে।’

একটা বোলারের পেছনে অনেক সময় ব্যয় করেই তাকে গড়ে তোলা হয়। টেস্ট ক্রিকেটের উপযুক্ত করে তোলা হয়। তাই খুব বেশি তাড়াহুড়া না করে কিছু ম্যাচ খেলার সুযোগ দিয়ে তাকে উন্নতির দিকে তাড়িত করা উচিৎ বলে মনে করেন ওয়ালশ। তিনি বলেছেন, ’এখানে একটা ম্যাচ, সেখানে একটা ম্যাচ- এভাবে খেলাটার দক্ষতা বাড়ানো বা উন্নতি করা- কোনোটাই হবে না। একটা দুইটা ম্যাচ কখনোই যথেষ্ট না। গত সফরে আমাদের নতুন ফাস্ট বোলার ছিল। এবারও একই ব্যাপার। দক্ষিণ আফ্রিকাতেও তাই ছিল। কোনো ধারাবাহিকতা নেই। আমাদের এমন তিন-চারজন খুজে নিতে হবে যাদের পেছনে আমরা সময় বিনিয়োগ করব। তাদেরকে উন্নতি করার সুযোগ দেব।’

আগামী ৮ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টেস্ট।