| |

Ad

শেরপুরে কাল বৈশাখী ঝড়ে ফসল, বিদ্যুৎ ও ঘর-বাড়ির ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি

আপডেটঃ ৭:৪৭ অপরাহ্ণ | মে ১২, ২০১৯


শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি:


শেরপুর জেলার সীমান্ত অঞ্চলে গতকাল রাতে কয়েক দফায় কাল-বৈশাখী ঝড়ে ফসল, বিদ্যুৎ ও ঘর-বাড়ির ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। সন্ধার পরে কয়েক দফা ঝড়ো হাওয়ায় গাছ-পালা ঘর-বাড়ি ও ফসলসহ বিদ্যুৎ সংযোগের খুটি ও তার লন্ড ভন্ড হয়ে যায়। এতে শেরপুর-ঝিনাইগাতী যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটিতে গাছ পড়ে জেলা-উপজেলা যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েক ঘন্টা পরিশ্রম করে এসমস্ত গাছ কেটে সরিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা পূনরায় চালু করেন। এসময় ঝিনাইগাতী উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত রাতের কাল বৈশাখী ঝড়ে যে সমস্ত এলাকায় বেশী ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে সেগুলি হলো, নলকুড়া ইউনিয়নের ডেফলাই, ভালুকা, শালচূড়া, রাংটিয়া, হলদিগ্রাম, সন্ধ্যাকুড়া, ফাকরাবাদ, ভারুয়া এবং কাংশা ইউনিয়নের নওকুচি, গজনী, বাকাকুড়া, নকশিসহ আরও এলাকায় বহু ঘর-বাড়ি উড়িয়ে ও দুমরে পুচরে ফেলেছে। এতে বহু পরিবার খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

এছাড়া কাল-বৈশাখীর ঝড়ে বিদ্যুৎতের খুটি উপড়ে ফেলে দিয়েছে। এতে গতকাল রাত থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়াই চরম দূর্ভোগে পড়েছে শত শত পরিবার।


ঝিনাইগাতী উপজেলার প্রায় সবকটি ইউনিয়নে কাল-বৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান প্রায় কয়েক কোটি টাকা। ঝড়ে বহু লোকজন আহত হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রাণহানির কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি। তবে এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারদের সরকারী ভাবে কোন ত্রান সহায়তা দেয়া হয়নি। ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবাররা মানবেতন জীবন-যাপন করছেন।

কাল-বৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ্য এলাকা ঝিনাইগাতী উপজেলা নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম ও উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ লাইলী বেগম পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্থ্যদের সার্বিক সহযোগীতা প্রদানে আশ্বস্থ্য করেন।

এব্যাপারে ঝিনাইগাতী ত্রান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনার কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মান্নান এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, গতকাল রাতে বৈশাখী ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ ও তালিকা এখনো পাওয়া যায়নি। তালিকা পেলেই আমরা ব্যবস্থা নেব।