| |

Ad

ঝিনাইগাতীতে ৭বছর যাবৎ ব্রীজ ধসে আছে; নির্মাণের উদ্যোগ নেই

আপডেটঃ ৯:২১ অপরাহ্ণ | মে ১২, ২০১৯


মোঃ আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি:

শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর পাইকুড়া কোনাগাঁও কাটাখালী খালের উপর দীর্ঘ ৩যুগ পূর্বে এলাকাবাসীর সুবিদার্ধে নির্মাণ করা হয় একটি ব্রিজ। কিন্তু দীর্ঘ ৭ বছর যাবৎ ব্রিজটি ধসে পড়ে আছে। ব্রিজটি নির্মাণে এখন পর্যন্ত কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

ফলে জনসাধারণের দূর্ভোগ এখন চরম আকার ধারন করেছে। ব্রীজটি ভেঙ্গে যাওয়ার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও ব্রীজটি নির্মাণ না হওয়ায় এলাকাবাসীরা ক্ষোভ জানালেন। সরেজমিন ঘুরে ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত প্রায় ৩যুগ পূর্বে ব্রিজটি উত্তর পাইকুড়া কোনাগাঁও কাটাখালী খালের উপর নির্মান করা হয়। গত ১০ বছর পূর্বে পাহাড়ী ঢলের কারণে ব্রিজের ২পাশের সংযোগ স্থল ভেঙ্গে যাওয়ায় এলাকাবাসী বাশ ও কাঠ দ্বারা ব্রিজের সাথে সংযোগ তৈরী করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে আসছিল। কিন্তু গত ৫ বছর পূর্বে ব্রিজটি সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়ায় চরম দূর্ভোগের শিকার হচ্ছে হাজার হাজার গ্রামবাসীরা।

পরবর্তীতে গ্রামবাসীরা ভাঙ্গা ব্রীজটির পাশে বাঁশের সাকো নির্মান করে যাতায়াত করলেও কোন রোগী বা তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাজারজাত করা সম্ভব হয় না। ফলে কান্দুলী, উত্তর কান্দুলী, দক্ষিন কান্দুলী, বালিয়া, বালিয়াচন্ডি কোচনীপাড়া, জগৎপুর, ছোট মালিঝিকান্দা, জড়াকুড়া, উত্তর পাইকুড়া, পাইকুড়া, দড়িকালীনগর গ্রামের লোকজন ৪/৫ কিলোমিটার পথ ঘুরে তাদেরকে পাইকুড়া বাজার হয়ে যাতায়াত করতে হয়। এতে যাতায়াত খরচসহ সময়ের অপচয়ও হচ্ছে ২/৩ গুন।

এছাড়াও স্কুল পড়–য়া ছেলে মেয়েরা ওই ভাঙ্গা ব্রিজের পার্শ্বে অস্থায়ী ভাবে তৈরীকৃত বাঁশের সাঁকো উপর দিয়ে জীবনের যুঁকি নিয়ে পাড়াপাড়ের সময় প্রায়ই দূর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইগাতী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন চাঁন এর সাথে কথা হলে, উক্ত ব্রীজটি বিধ্বস্ত হওয়ার ফলে হাজার হাজার লোকের দূর্ভোগের স্বীকার হচ্ছে।

এছাড়াও কৃষকদের কৃষিপন্য বাজার জাত করা অত্যান্ত দুরূহ ব্যাপার এবং গ্রামবাসীদেরকে দীর্ঘ পথ ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। তাই ২০ গ্রামের মানুষের কথা বিবেচনা করে দ্রুত সেখানে একটি ব্রিজ পূণ: নির্মান করার দাবী জানান ভোক্তভোগী গ্রামবাসী।
ঝিনাইগাতী উপজেলা এল.জি.ই.ডি’র প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি ব্রীজটি পূনঃনির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। অনুমতি পেলেই কাজ শুরু করা হবে।