| |

Ad

জামালপুরে বিপুল পরিমাণ নকল সার ও কীটনাশক উদ্ধার

আপডেটঃ ১:৩৮ অপরাহ্ণ | মে ১৪, ২০১৯

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার মালঞ্চ ফিসারী কলেজ গেইট এলাকয় জাহিদ হোসেনের দোকান থেকে এভি জিংক ও হাই পাওয়ার বোরণসহ বিভিন্ন ব্যান্ডের নকল সার ও কিটনাশক উদ্ধার জব্দ করা হয়েছে।

গত সোমবার (১৩ মে) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তামিম আল ইয়ামিন এসব নকল সার ও কিটনাশক জব্দ করেন। ব্যবসায়ীকে গা ঢাকা দেয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি। তবে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তামিম আল ইয়ামিন জানান, স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে মালঞ্চ শেখ ফজিলাতুন্নেছা বিজ্ঞাণ ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গেটের বিপরতি দিকে জাহিদ হোসেনের দোকানের তালা ভেঙ্গে তল্লাশী চালানো হয়।

ওই দোকানে বিপুল পরিমাণ জিংক ও হাই পাওয়ার বোরণসহ বিভিন্ন ব্যান্ডের নকল সার ও কিটনাশক পাওয়া যায়। এসময় স্থানীয় লোজনের উপস্থিতিতে দুই ভ্যান গাড়ি জিংক ও হাই পাওয়ার বোরণসহ বিভিন্ন ব্যান্ডের নকল সার ও কিটনাশক জব্দ করে পুলিশের হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং অবশিষ্ঠ নকর সার ও কিটনাশক জব্দ করে পাশের ব্যবসায়ীর জিম্মায় রাখা হয়।

স্থানীয়রা জানান, ঢাকার উত্তরার ঠিকানায় তৈরী এসব নকল সার ও কিটনাশক উৎপাদন দেখানো হলেও তা তৈরী করা হয় জাহিদ হোসেনের বাড়িতে। তারা আরও বলেন, বাঘাডোবা গ্রামের মনোয়ার হোসেনের পুত্র জাকির হোসেন, জাহিদ হোসেন ও জামিল আহমেদ এরা তিন ভাই এই নকল সার ও কিটনাশক উৎপাদন ও বিক্রির সাথে জড়িত রয়েছে। এর আগের দিনে রোববার জাহিদ হোসেনের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তামিম আল ইয়ামিন জাহিদ হোসেনের বাড়ি থেকে নকল সার ও কিটনাশক জব্দ করেন এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। উপজেলা নির্বাহী অপিসার ওই বাড়িতে জাহিদের মোরগীর খামারে এসব নকল সার ও কিটনাশক তৈরীরর রঞ্জাম ও নকল সার ও কিটনাশক উদ্ধার করেন।

এলাকা থেকে এই বিপুল পরিমান নকল সার ও কিটনাশক উদ্ধার হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা এই নকল সার ও কিটনাশক উৎপাদন ও বিক্রয়কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে দৃষ্ঠান্তমুলক শাস্তির দাবি জানান।

এদিকে মেলান্দহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার তামিম আল ইয়ামিন এই প্রতিবেদককে বলেন, নকল সার ও কিটনাশক বিক্রয়কারীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা নেয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মামলা দায়ের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।