| |

Ad

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সবজির দাম স্বাভাবিক থাকায় রোজাদারদের মনে স্বস্তি

আপডেটঃ ২:০২ অপরাহ্ণ | মে ১৫, ২০১৯


মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি:

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে স্বাভাবিক দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। সব ধরণের সবজির বাম্পার ফলন হওয়ায় বাজারের চাহিদার চেয়ে বেশী আমদানি হচ্ছে। এই সমস্ত সবজির মূল্য সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে।

গত ১মাস পূর্বে সবজির মূল্য ছিল টমেটো প্রতি কেজি ৩০/৩৫ টাকা দরে, বর্তমানে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০/২৫টাকা কেজি দরে, প্রতি কেজি বেগুন ছিল ৪০/৪৫ টাকা, বর্তমানে বেগুন প্রতি কেজি ২৫/৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, প্রতি পিস লাউ মূল্য ছিল ৩০/৪০ টাকা, বর্তমানে প্রতি পিস লাউ ২০/৩০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ছিল ৩৫/৪০ টাকা দরে,

বর্তমানে প্রতি কেজি করলা ৩০/৩৫ টাকা, জিঙ্গে প্রতি কেজি ২৫/৩০ টাকা কেজি, বর্তমানে প্রতি কেজি জিঙ্গে ২০/২৫ টাকা, শসা প্রতি কেজি ২৫/৩০ টাকা ছিল বর্তমানে ২০/২৫ টাকা, কাকরুল প্রতি কেজি ১শ টাকা ছিল বর্তমানে ৭০/৮০ টাকা, পুটল প্রতি কেজি ৭০/৮০ টাকা ছিল বর্তমানে ৫০/৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পুঁইশাক প্রতি কেজি ১৫/২০ টাকা ছিল বর্তমানে ১০/১৫ টাকা, লাল শাক প্রতি কেজি ২০/২৫ টাকা ছিল বর্তমানে ১০/১৫ টাকা, পাটশাক প্রতি কেজি ১৫/২০ টাকা ছিল বর্তমানে ১০/১৫ টাকা, সবগুলি সবজি একই পর্যায়ে স্বাভাবিক মূল্যে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। রমজান মাস উপলক্ষে লেবুর চাহিদা বাড়লেও লেবুর মূল্য তেমন একটা বাড়েনি।

প্রতি হালি লেবুর দাম ছিল ১০/১২ টাকা, বর্তমানে ১০/১৫ টাকা হয়েছে। তবে দুধ ও কলার দাম তুলনা মূলক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১ লিটার দুধের দাম ছিল ৫০/৬০ টাকা, বর্তমানে ১ লিটার দুধের দাম ৮০ টাকা থেকে শুরু করে ১শ ২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। শবরী কলা প্রতি হালি ছিল ১৫/২০ টাকা, বর্তমানে ৩০/৩৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। নলকুড়া ইউনিয়নের সন্ধাকুড়া গ্রামের কৃষক সেলিম জানান, তিনি এবছর ১০ কাঠা জমিতে সবজি চাষাবাদ করেন এবং আশানরূপ বাম্পার ফলনও হয়। বছরের শুরুতে সবজির মূল্য ভাল থাকায় লাভের পরিমান ছিল বেশী।

কিন্তু পরবর্তীতে সব ধরণের ফসল একসাথে আমদানি করার কারণে সবজির বাজার মূল্য একটু কমে গিয়েছে। তাই তেমন একটা লাভ-ক্ষতি হচ্ছে না। এছাড়া, গুরুচরণ দুধই গ্রামের সবজি চাষী আলতাব, হলদিগ্রামের সেকান্দর, ভারুয়া গ্রামের আহাম্মদ আলী, গিলাগাছা ধারাপানির গ্রামের সাইফুল, আহম্মদ নগর গ্রামের কেদার আলীসহ আরও বহু সবজি চাষীরা জানান, সবজি মৌসুমের শুরুর দিকে ভাল লাভবান হয়েছিল তারা কিন্তু বর্তমানে একটু লাভ কম হচ্ছে।
এ ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, এবছর অত্রাঞ্চলে সবজি বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমানে অনূকুল আবহাওয়ার কারণে আবার সবজি উৎপাদন ভাল হয়েছে। রমজান মাসকে ঘিরে প্রায় সকল ধরণের সবজি বাজারে নেমেছে। তাই সবজির বাজার মূল্য কিছুটা নিচে নেমেছে। এতে কৃষকরা বেশী লাভবান না হলেও ক্ষতিগ্রস্থ্য হবে না।