| |

Ad

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সবজির দাম স্বাভাবিক থাকায় রোজাদারদের মনে স্বস্তি

মে ১৫, ২০১৯

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে স্বাভাবিক দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। সব ধরণের সবজির বাম্পার ফলন হওয়ায় বাজারের চাহিদার চেয়ে বেশী আমদানি হচ্ছে। এই সমস্ত সবজির মূল্য সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। গত ১মাস পূর্বে সবজির মূল্য ছিল টমেটো প্রতি কেজি ৩০/৩৫ টাকা দরে, বর্তমানে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০/২৫টাকা কেজি দরে, প্রতি কেজি বেগুন ছিল ৪০/৪৫ টাকা, বর্তমানে বেগুন প্রতি কেজি ২৫/৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, প্রতি পিস লাউ মূল্য ছিল ৩০/৪০ টাকা, বর্তমানে প্রতি পিস লাউ ২০/৩০ টাকা, করলা প্রতি কেজি ছিল ৩৫/৪০ টাকা দরে, বর্তমানে প্রতি কেজি করলা ৩০/৩৫ টাকা, জিঙ্গে প্রতি কেজি ২৫/৩০ টাকা কেজি, বর্তমানে প্রতি কেজি জিঙ্গে ২০/২৫ টাকা, শসা প্রতি কেজি ২৫/৩০ টাকা ছিল বর্তমানে ২০/২৫ টাকা, কাকরুল প্রতি কেজি ১শ টাকা ছিল বর্তমানে ৭০/৮০ টাকা,...

শেরপুরের ঝিনাইগাতী মহারশী নদীটি এখন মরা খালে পরিণত

মে ১৪, ২০১৯

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলা মহারশী নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে এক ঐতিহ্যবাহী বড় বাজার। উক্ত বাজার থেকে প্রতি বছর সরকার প্রায় ২ কোটি টাকা রাজস্ব পায়। উক্ত নদীটি বর্তমানে নাব্যতা হারিয়ে প্রায় মরা খালে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ দখলদারে দখলে চলে যাচ্ছে নদীর সিংহ ভাগ হাজার হাজার একর জমি। ফলে দিন দিন নদীটি মৃত খালে রূপান্তরিত হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ঐহিত্যবাহী মহারশী নদীটি অস্তিত্ব হারিয়ে যাবে। প্রশাসনের (এ্যাসিল্যান্ড অফিসের পূর্ব পার্শ্বে) নাকের ডগায় মহারশী নদীর পাড় বেদখল হচ্ছে অথচ প্রশাসন কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে জেগে উঠা কোটি কোটি টাকার সরকারী খাস জমি বেদখল হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে। এছাড়া মহারশি নদীটির উপর (রাবারড্যাম) বাঁধ নির্মিত হওয়ায় দিন দিন মরা খালে পরিণত হচ্ছে।...

ঝিনাইগাতীতে ৭বছর যাবৎ ব্রীজ ধসে আছে; নির্মাণের উদ্যোগ নেই

মে ১২, ২০১৯

মোঃ আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর পাইকুড়া কোনাগাঁও কাটাখালী খালের উপর দীর্ঘ ৩যুগ পূর্বে এলাকাবাসীর সুবিদার্ধে নির্মাণ করা হয় একটি ব্রিজ। কিন্তু দীর্ঘ ৭ বছর যাবৎ ব্রিজটি ধসে পড়ে আছে। ব্রিজটি নির্মাণে এখন পর্যন্ত কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে জনসাধারণের দূর্ভোগ এখন চরম আকার ধারন করেছে। ব্রীজটি ভেঙ্গে যাওয়ার দীর্ঘদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও ব্রীজটি নির্মাণ না হওয়ায় এলাকাবাসীরা ক্ষোভ জানালেন। সরেজমিন ঘুরে ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, বিগত প্রায় ৩যুগ পূর্বে ব্রিজটি উত্তর পাইকুড়া কোনাগাঁও কাটাখালী খালের উপর নির্মান করা হয়। গত ১০ বছর পূর্বে পাহাড়ী ঢলের কারণে ব্রিজের ২পাশের সংযোগ স্থল ভেঙ্গে যাওয়ায় এলাকাবাসী বাশ ও কাঠ দ্বারা ব্রিজের সাথে সংযোগ তৈরী করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল...

শেরপুরে কাল বৈশাখী ঝড়ে ফসল, বিদ্যুৎ ও ঘর-বাড়ির ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি

মে ১২, ২০১৯

শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুর জেলার সীমান্ত অঞ্চলে গতকাল রাতে কয়েক দফায় কাল-বৈশাখী ঝড়ে ফসল, বিদ্যুৎ ও ঘর-বাড়ির ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। সন্ধার পরে কয়েক দফা ঝড়ো হাওয়ায় গাছ-পালা ঘর-বাড়ি ও ফসলসহ বিদ্যুৎ সংযোগের খুটি ও তার লন্ড ভন্ড হয়ে যায়। এতে শেরপুর-ঝিনাইগাতী যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটিতে গাছ পড়ে জেলা-উপজেলা যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঝিনাইগাতী ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েক ঘন্টা পরিশ্রম করে এসমস্ত গাছ কেটে সরিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা পূনরায় চালু করেন। এসময় ঝিনাইগাতী উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত রাতের কাল বৈশাখী ঝড়ে যে সমস্ত এলাকায় বেশী ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে সেগুলি হলো, নলকুড়া ইউনিয়নের ডেফলাই, ভালুকা, শালচূড়া, রাংটিয়া, হলদিগ্রাম, সন্ধ্যাকুড়া, ফাকরাবাদ, ভারুয়া এবং...

শেরপুর সীমান্তে বর্ষায় ও মৌসুমীয় প্রয়োজনে বাঁশ শিল্পের জনপ্রিয়তা বেড়েছে

মে ০৮, ২০১৯

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুর সীমান্তে বর্ষা ও মৌসুমীয় প্রয়োজনে বাঁশ শিল্পের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। বর্তমানে চলতি বোরো মৌসুমের ধান কাটাই-মাড়াই চলছে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে মাছ ধরার জন্য বাঁশের তৈরী বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা রয়েছে। তাই অত্রাঞ্চলের বাঁশশিল্পের চাহিদা বেড়েছে এবং বাজার ভাল থাকায় তারা ভাল লাভবান হচ্ছে। এতে অত্র এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সমূহের চাহিদায় যোগান দিচ্ছে। উল্লেখ্য, শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার সিংহভাগ লোক কৃষক, শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষ। শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা কৃষকের কৃষি কাজে শ্রম বিক্রি করে জীবন-জীবিকা চালায়। কিন্তু বছর জুড়েই কৃষকের কৃষি কাজ থাকে না। কৃষকের কাজ না থাকলে শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা বেকার হয়ে থাকে। তাই এই শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা জীবন-জীবিকার তাগিদে...

বে-দখল হয়ে যাচ্ছে ঝিনাইগাতী গারো পাহাড়!

মার্চ ১৯, ২০১৯

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: বে-দখল হয়ে গেছ ঝিনাইগাতীর ঐতিহ্যবাহী গারো পাহাড়! উত্তর ময়মনসিংহ বন বিভাগের রাংটিয়া রেঞ্জের সংরক্ষিত বনাঞ্চলে দিনে দিনে বাড়ছে পাহাড়ের ঢালুতে অবৈধ ঘনবসতি। এ যাবতকালে বে-দখল হয়ে গেছে কমপক্ষে দুই হাজার একর সরকারী বনভূমি। জানা যায়, স্থানীয় বন বিভাগের ছত্রছায়ায় দিনে দিনে এসব অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে বন কর্মকর্তাদের যোগশাজসেই এই বিপুল পরিমান সরকারী সম্পত্তি বেহাত হয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং গারো পাহাড় কেটে সাবাড় করা হয় বলে জানা যায়। তবে এখনো বন ধ্বংস করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। একাধিক সংঘবদ্ধ কাঠ চোর সিন্ডিকেট সরকারী শাল-গজারি বাগান কেটে সাবাড় করছে বলেও জানা গেছে। জানা যায়, ওই সব অবৈধ দখলবাজদের দেখাদেখি গোটা গারো পাহাড়জুড়েই এখন গড়ে উঠেছে জনবসতি। এসব দখলবাজদের মধ্যে বনবিভাগের...

শ্রীবরদীতে পিস্তল, গুলি ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার-১

মার্চ ০৬, ২০১৯

শ্রীবরদী প্রতিনিধি: শেরপুরের শ্রীবরদী থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১টি বিদেশী পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন, ৮ রাউন্ড গুলি ও ৭০ পিছ ইয়াবাসহ একজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানায় গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে দশটার দিকে শ্রীবরদী থানার ওসি রুহুল আমিন তালুকদারের নেতৃত্বে ওসি তদন্ত মনিরুল ইসলাম ভুইয়া, এসআই শফিক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শ্রীবরদী উপজেলার ঝগড়ারচর মোদকপাড়া এলাকা থেকে দুলাল মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। পরে দুলাল মিয়ার তথ্যের ভিত্তিতে তার বাসায় অভিযান চালিয়ে পিস্তল, গুলি, ম্যাগজিন ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত দুলাল মিয়া ভেলুয়া ইউনিয়নের বারারচর গ্রামের আব্দুল কাদের ওরফে মালু শেখের ছেলে। শ্রীবরদী থানার ওসি রুহুল আমিন তালুকদার বলেন, বেশ কিছুদিন আগে থেকেই আমাদের কাছে তথ্য ছিল দুলাল মিয়া অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে জড়িত। কিন্তু তথ্য প্রমানের অভাবে তাকে গ্রেফতার...

ঝিনাইগাতীতে বন বিভাগের শত শত একর ভূমি বেদখল!

মার্চ ০৬, ২০১৯

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বন বিভাগের সরকারি শত শত একর ভূমি বিভিন্ন সময়ে ভূমিদস্যূদের দখলে চলে যায়। আর এই সকল জবর দখলকৃত ভূমি থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বন বিভাগের দখলে আনা হয়। উল্লেখ্য রাংটিয়া রেঞ্জের ৩টি বিটের আওতাধীন শত শত একর বন ভূমি বে-দখল রয়েছে। উক্ত ভূমি উদ্ধারের লক্ষে রাংটিয়া রেঞ্জের গজনী ফরেস্ট বিটের আওতাধিন গান্ধিগাঁও এলাকা থেকে অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়ে তা বন বিভাগের দখলে আনা হয়। রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে উক্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা হয়। রেঞ্জ কর্মকর্তা জানান, গান্ধিগাঁও গ্রামের জৈনক ভূমিদস্যূ প্রায় ১ একর জমি দখল করে ওই জমির উপর ঘর-বাড়ি ইত্যাদি নির্মাণ করে অবৈধ ভাবে ভোগদখল করে আসছে। সরকারের নির্দেশে ওই জমি থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, তার দখলে বন বিভাগের...

বাহারি রঙ্গের বাঁশশিল্পের সামগ্রী বিলুপ্তির পথে

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০১৯

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুরে পরিবেশ বান্ধব বাহারি রকমের বাঁশশিল্পের নানা সামগ্রী হারিয়ে যাচ্ছে। প্রতিকুল পরিবেশের বাজারগুলিতে প্লাস্টিকের সামগ্রীতে ছেয়ে গেছে। আর প্লাস্টিকের সাথে পাল্লা দিয়ে টিকতে পারছে না পরিবেশ বান্ধব বাঁশশিল্প। তাই আধুনিক যুগে প্লাস্টিকের ছোবলে গ্রামবাংলা পরিবেশ বান্ধব কুটির শিল্প ও হস্ত শিল্পের বাহারী রকমের নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিলীন হয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, শেরপুর জেলার সিংহভাগ লোক কৃষক, শ্রমিক ও নিম্নআয়ের মানুষ। শ্রমিক ও নিম্নআয়ের মানুষেরা কৃষকের কৃষি কাজে শ্রম বিক্রি করে জীবন-জীবিকা চালায়। কিন্তু বছর জুড়েই কৃষকের কৃষি কাজ থাকে না। কৃষকের কাজ না থাকলে শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা বেকার হয়ে থাকে। তাই এই শ্রমিক ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা জীবন-জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন কাজে আত্মনিয়োগ করে জীবন পরিচালনা...

শেরপুরে ব্যাপক আকারে বোরো ধানের চাষাবাদ

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৯

মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি: শেরপুর জেলায় বিগত বছরগুলির তুলনায় এবছর ব্যাপক আকারে বোরো ধানের চাষাবাদ করেছে অত্রাঞ্চলের কৃষকরা। এবছর আবহাওয়া অনূকুল থাকায় সিংহ ভাগ জমিতে কৃষকরা বোরো চাষাবাদ করেছে। যা এবছর বোরো চাষাদের লক্ষমাত্রার চেয়ে অনেক বেশী। যদি আবহাওয়া শেষ পর্যন্ত অনূকুলে থাকে তাহলে বিগত বছরের তুলনায় অধিক পরিমাণে বোরো ধান উৎপাদন হবে। উল্লেখ্য, উক্ত শেরপুর জেলাসদরসহ ৫টি উপজেলা রয়েছে। উক্ত ৫টি উপজেলায়তেই ব্যাপক ভাবে কৃষকেরা বোরো চাষাবাদ করেছে। অত্র শেরপুর জেলার অধিকাংশ লোকই কৃষক ও প্রান্তিক চাষী। এসমস্ত প্রান্তিক চাষীদের আয়ের প্রধান উৎস হলো কৃষি ফসল। উৎপাদিত ধান চাষ করে নিজ নিজ চাহিদা মিটিয়ে দেশের খাদ্য চাহিদায় যোগান্তকারী ভূমিকা রেখে আসছে অত্র শেরপুর জেলা। এতে যেমন দেশের খাদ্য উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রেখেছে অপরদিকে কৃষকরা লাভবান...