| |

Ad

লম্বা চুল দিয়ে গিনেস রেকর্ডে নাম লেখালেন নীলাংশী

জানুয়ারি ২১, ২০২০

গিনেস রেকর্ডে এবার লম্বা চুল দিয়ে নাম লেখালেন ভারতের গুজরাট রাজ্যের নীলাংশী জয়। বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা চুল তার। যা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বইয়ে স্থান পেয়েছে। অবাক করা বিষয় হল এর আগে অপ্রাপ্তবয়স্কদের লম্বা চুলের রেকর্ডটি তার দখলেই ছিল। ১৭ বছর বয়সী ভারতীয় এই কিশোরীর চুলের দৈর্ঘ্য এখন ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি। অপ্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ২০১৮ সালের সব থেকে লম্বা চুল ছিল তার। তখন চুলের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট। নিজের সেই রেকর্ড টপকে এখন তার চুলের দৈর্ঘ্য ১৯০ সেন্টিমিটার বা প্রায় ছয় ফুট তিন ইঞ্চি। যা বিশ্বের আর কারও নেই, তাই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এদিকে নতুন রেকর্ডের পর নীলাংশী জানিয়েছেন, সে কোনো দিন নিজের চুল কাটতে চায় না। ভবিষ্যতে সে পরিকল্পনাও নেই, কারণ তার চুল ভীষণ প্রিয়। লম্বা চুলের রহস্য জানতে চাওয়ায় নীলাংশী...

বেশিদিন বাঁচতে চান? সব সময় হাসিখুশি থাকুন

জানুয়ারি ২০, ২০২০

আপনি ভীষণরকম গম্ভীর? একদমই হাসিখুশি না? আপনার জন্য দুঃসংবাদ! শুধু এই একটি স্বভাবের জন্যই নানারকম অসুখ এসে হানা দিতে পারে। আর যদি হাসিখুশি থাকতে বেশি ভালোবাসেন তবে ভিন্ন কথা। ফিজিওলজিকাল রিসার্চারদের করা বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে দিনের বেশিরভাগ সময় হাসিখুশি থাকলে একদিকে যেমন মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে, তেমনি আরও অনেক শারীরিক উপকার মেলে। জেনে নিন হাসিখুশি থাকলে কী হয়- মানসিক অবসাদ কমে: ২০১০ সালে এনসিবিআই-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে, সারাদিন হাসি মুখে থাকলে শরীরের ভেতরে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ বাড়তে শুরু করে, যে কারণে মানসিক অবসাদ, অ্যাংজাইটি এবং স্ট্রেসের মাত্রা কমতে শুরু করে । ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরের কোনো ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা আর থাকে না। তাই শরীর এবং মনকে চাঙ্গা রাখতে সব সময় মুখে হাসি ধরে রাখার চেষ্টা করুন। রক্তচাপ...

কীভাবে ‘রোগমুক্ত দীর্ঘ জীবন’ যাপন করবেন?

জানুয়ারি ১৩, ২০২০

ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালের এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে, স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা মেনে চললে ক্যান্সার, হৃদরোগজনিত সমস্যা ও টাইপ টু ডায়বেটিস ছাড়া দীর্ঘ জীবন লাভ সম্ভব। এর ফলে নারীদের অতিরিক্ত ১০ বছর এবং পুরুষদের সাত বছর পর্যন্ত বেশি বাঁচার সম্ভাবনা তৈরি হয়। নিয়মিত ভিত্তিতে ব্যায়াম, পরিমিত মদ্যপান, ওজন নিয়ন্ত্রণ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও ধূমপানবিহীন জীবনযাপন নিশ্চিত করলে দীর্ঘায়ু লাভ সম্ভব। মার্কিন এ গবেষণাটি ২০ বছরের বেশি সময় ধরে এক লাখ ১১ হাজার মানুষের ওপর চালানো হয়েছে। গবেষণার প্রধান গবেষক ও হার্ভার্ড স্কুল অব পাবলিক হেলথের শিক্ষক ডক্টর ফ্র্যাঙ্ক হু বলেন, এ গবেষণাটি 'জনগণের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা' দিয়েছে। "মানুষ যে শুধু জীবনে বেশি সময়ই পাচ্ছে, তাই নয়, জীবনযাত্রার ধরণ পরিবর্তন করার সাথে সাথে বছরগুলো রোগহীনও হবে।" স্বাস্থ্যকর...

যে ৮ কারণে বেড়ে যেতে পারে কোষ্ঠকাঠিন্য!

জানুয়ারি ১৩, ২০২০

শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেড়ে যায় অনেকের। এ কারণে মলত্যাগে অসুবিধা, পেট ব্যথা, পেট ফোলাসহ অস্বস্তি দেখা দেয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অপরিকল্পিত ডায়েট, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই সমস্যা বংশগত। বেশ কিছু কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। আসুন জেনে নিই সেই সম্পর্কে- ১. দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি না খাওয়া। ২. ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার, শাকসবজি বা ফলমূল কম খাওয়া। ৩. দুগ্ধজাত খাবার যেমন- পনির, ছানা ইত্যাদি অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে। ৪. হাঁটা-চলা, শরীরচর্চা ও কায়িক পরিশ্রম না করলে। ৫. অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন বিছানায় শুয়ে থাকলে। ৬. অত্যাধিক দুশ্চিন্তা বা অবসাদ হলে। ৭. অন্ত্রনালীতে ক্যান্সার হলে। ৮. ডায়াবেটিস হলে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হতে পারে।...

ঘন ঘন কোমর ব্যথা যে রোগের লক্ষণ

জানুয়ারি ১২, ২০২০

ঘন ঘন পিঠে, কোমরে ব্যথা হচ্ছে? যদি এই সমস্যায় পড়ে থাকেন তাহলে খুব তাড়াতাড়িই ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন। জেনে রাখা দরকার, কিডনি রোগের উপসর্গগুলোর একটি কোমর ব্যথা হলেও এর আরও অনেক কারণ রয়েছে। কিডনি রোগই এর একমাত্র কারণ নয়। আবার রোগভেদে কোমরে ব্যথার তীব্রতারও তারতম্য হয়। তাই কোমরে ব্যথা মানেই কিডনি রোগ—এমনটি ভাবার কোনও কারণ নেই। অস্টিওপোরোসিস হাড়ের একটি বিশেষ রোগ। পুরুষের চেয়ে নারীরাই এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে বেশি। তবে আগে থেকে লক্ষণ জানা থাকলে এই রোগটি প্রতিরোধ করা সম্ভব। এই রোগে আক্রান্ত হলে তাই সাবধান হওয়া জরুরি। জিনিউজ অবলম্বনে জেনে নিন অস্টিওপোরোসিসের লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়। যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন আপনি অস্টিওপোরোসিস রোগে ভুগছেন অস্টিওপোরোসিস নিঃশব্দে ক্ষতি করে। তাই প্রথম থেকে লক্ষণ বোঝা মুশকিল। তবুও সবসময় সজাগ থাকুন। ঘন ঘন...

জেনে নিন পেশাগত অবসাদের কারণ ও সমাধান

জানুয়ারি ০৮, ২০২০

যতই দিন যায়; ততই বদলায় পৃথিবী। বাড়ে প্রতিযোগিতা ও ব্যস্ততা। এখন মানুষ দৌড়ায় লক্ষ্য ও সফলতার পেছনে। ফলে প্রত্যেকেই কোনো না কোনো সময় ক্লান্তি, একঘেয়েমি, দীর্ঘমেয়াদি বিষণ্নতা বা স্ট্রেসের শিকার হচ্ছে। এসব মিলেই তৈরি হয় বার্নআউট বা অবসাদ। এর থেকেই পেশাগত অবসাদ বা জব বার্নআউটের সূচনা হতে পারে। বার্নআউট কী: বার্নআউট হলো মানুষের মধ্যে ধীরে ধীরে ক্লান্তি, একঘেয়েমি, দীর্ঘমেয়াদি বিষণ্নতা বা স্ট্রেসের লক্ষণগুলো জমা হতে থাকা। বহু স্ট্রেসে আক্রান্ত হলে সহ্যক্ষমতা ছাড়িয়ে যায়। এ সময় মানুষ বার্নআউটে আক্রান্ত হয়। তখন সবকিছু ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা মাথায় আসে। বার্নআউট তাদেরই বেশি হয়, যারা নিজের কাজের প্রতি সবচেয়ে বেশি মনোযোগী ও নিবেদিত। বৈশিষ্ট্য: বার্ন-আউটের সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হলো- ক্লান্তি, হতাশা, একঘেয়েমি, চাপ, অবসাদগ্রস্ত ইত্যাদি...

লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি কমাতে মেনে চলুন ৩ পরামর্শ

জানুয়ারি ০৬, ২০২০

শরীরের সব দূষিত বর্জ্য পদার্থ বের করে তাকে সুস্থ রাখাই যকৃৎ বা লিভারের কাজ। শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গটির মারাত্মক একটি অসুখের নাম হলো লিভার সিরোসিস। এই রোগে লিভার পুরোপুরি অকেজো হয়ে পড়ে। অর্থাৎ লিভার তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়, যার ফলে বাড়ে মৃত্যুঝুঁকি। প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ লিভার সিরোসিসের জন্য প্রাণ হারান। কিন্তু খুব সহজেই আমরা এই মারাত্মক রোগের হাত থেকে নিজেদের দূরে রাখতে পারি। সামান্য সতর্কতায় লিভার সিরোসিসের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নেওয়া যাক তার উপায়– ১) যে খাবারগুলো সহজে হজম হবে এবং হজমশক্তি বাড়াতে বেশ কার্যকর সে ধরনের খাবার খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন। ব্রকলি, সবুজ শাক, বাঁধাকপি এবং ফুলকপি লিভারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। এছাড়া কাঁচা পেঁয়াজ ও রসুন লিভারের জন্য ক্ষতিকর টক্সিনকে দেহ...

ছুটির দিনে দাম্পত্য সম্পর্ক রঙিন করবেন যেভাবে

জানুয়ারি ০২, ২০২০

আপনার কাছে ছুটির দিন মানে কী? অফিসে যাওয়ার তাড়া নেই, আলস্যে বিছানায় গড়াগড়ি আর মজার মজার খাবার খাওয়া? কিন্তু তাতে যদি নতুনত্ব আনতে চান এবং আপনাদের দাম্পত্য সম্পর্ক আরও মজবুত করতে চান তবে করতে হবে কিছু কাজ। একঘেয়ে জীবনযাপন বদলে সম্পর্ক করে নিন আরও বেশি রঙিন রান্না করুন একসঙ্গে: প্রতিদিন অফিস শেষে ঘরে ফিরে রান্নাঘরে ঢুকতে মন চায় না নিশ্চয়ই? সারাদিনের ক্লান্তি জেঁকে বসে শরীর তখন বিশ্রাম চায়। কিন্তু সামনে যখন একদিন অথবা দুইদিন ছুটি থাকে, তখন ক্লান্তি যেন দূরে পালায়। সময়টা সুন্দর করতে দু’জন মিলে রান্নাটা সেরে নিন। অবশ্যই দু’জনের পছন্দের খাবারটিই তৈরি করবেন। এতে খাবারের স্বাদের পাশাপাশি আপনাদের সম্পর্কেও স্বাদও মধুর হয়ে উঠবে পাশাপাশি হাঁটুন: রাতে খাওয়া সেরেই বিছানায় যাবেন না যেন! বরং দুজন মিলে বাইরে থেকে একটু হেঁটে আসুন। রাতের বেলা বাইরে বের হওয়া যদি...

নতুন বছরে শরীর ভালো রাখবেন যেভাবে

জানুয়ারি ০১, ২০২০

সুন্দরভাবে জীবনযাপনের জন্য সবার আগে জরুরি হলো সুস্থতা। শরীর সুস্থ থাকলে সবকিছুই ভালোলাগে। আবার শরীর যখন অসুস্থ হয়, তখন ভালো কিছুও যেন আর ভালোলাগে না। শরীর সুস্থ রাখার জন্য ডায়েট মেনে চলার চেষ্টা করেন অনেকে। কিন্তু তাতে করে দেখা যায় দিনশেষে ক্লান্তিবোধ জেঁকে ধরে। অনেক সময় ভুলভাল ডায়েটের কারণে শরীর ঠিকভাবে পুষ্টি পায় না। ডায়েট হলো সুস্বাস্থ্যের জন্য। তাই সঠিকভাবে ডায়েট চার্ট ফলো করতে হবে। খাবারের তালিকা ঠিক করার আগে নজর দিন আপনার বয়স এবং প্রতিদিন কতটুকু পরিশ্রম করেন তার উপর। কারণ গ্রহণকৃত ক্যালরি যদি খরচ না হয় তখন তা আপনার শরীরের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আগে থেকে খাবারের তালিকা ঠিক করা থাকলে যখন তখন খাই খাই অভ্যাস অনেকটাই কমে আসবে। অফিসে কাজের যতই চাপ থাকুক, চেষ্টা করুন সময়মতো খাবার খাওয়ার। হাতের কাছে যা পান তা খেয়ে নেয়ার অভ্যাস বন্ধ করুন। বাইরের...

যে অভ্যাসগুলো মাইগ্রেনের সমস্যা বাড়ায়

ডিসেম্বর ২৪, ২০১৯

মাইগ্রেনের যন্ত্রণা খুবই কষ্টদায়ক এবং দীর্ঘস্থায়ী। মাইগ্রেন মাথার যেকোন এক পাশ থেকে শুরু হয়ে তা ক্রমশ বাড়তে থাকে। প্রচণ্ড মাথা ব্যথার পাশাপাশি বমি বমি ভাবও দেখা দেয়। কারও কারও ক্ষেত্রে মাইগ্রেনের সমস্যা একটানা কয়েকদিন পর্যন্ত চলে। যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তাদের এই ব্যথার জন্য দায়ী কয়েকটি কাজ বা অভ্যাস এড়িয়ে চলাই ভাল। এতে মাইগ্রেনের সমস্যা থেকে দূরে থাকা সম্ভব। পেট খালি রাখা: দীর্ঘক্ষণ পেট খালি থাকলে মাইগ্রেনের ব্যথা বা সমস্যা শুরু হতে পারে। এর কারণ হল, খালি পেটে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা মাথা চাড়া দেয় যা মাইগ্রেনের ব্যথাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। আবহাওয়া: অতিরিক্ত রোদে ঘোরাঘুরির কারণে মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হতে পারে। এছাড়াও অতিরিক্ত গরম, অতিরিক্ত আর্দ্রতার তারতম্যে মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়তে পারে। মানসিক চাপ: যারা অনেক বেশি চাপ...